দশেরা 2026: 20 অক্টোবর, বাংলায় বিজয়া দশমী 21 অক্টোবর
দশেরা (বিজয়া দশমী) 2026 পড়ছে মঙ্গলবার, 20 অক্টোবর 2026। বিজয় মুহূর্ত, অর্থাৎ পূজা আর নতুন কাজ শুরুর জন্য দিনের সবচেয়ে শুভ সময়, মোটামুটি দুপুর 1:59 থেকে 2:45 (দিল্লি, ভারতীয় সময়); দশমী তিথি শুরু হচ্ছে 20 অক্টোবর দুপুর মোটামুটি 12:50-এ, থাকবে 21 অক্টোবর দুপুর মোটামুটি 2:11 পর্যন্ত। বিজয়া দশমী, আক্ষরিক অর্থে "বিজয়ের দশম দিন", অশুভের ওপর শুভের জয়ের উৎসব, যার পেছনে আছে দুটি মহান কাহিনি: রাবণের ওপর শ্রীরামের জয়, আর মহিষাসুরের ওপর মা দুর্গার জয়।
শারদীয় নবরাত্রি 2026-এর শেষে আসা দশেরা এ বছর স্বাভাবিকের চেয়ে দেরিতে পড়ছে, কারণ 2026 অধিক মাসের (মলমাস) বছর - একটি বাড়তি চান্দ্র মাস পুরো উৎসবের মরসুমকে অক্টোবর আর নভেম্বরের আরও ভেতরে ঠেলে দিয়েছে। মুহূর্তের সময় শহর থেকে শহরে সামান্য বদলায়, তাই পূজার সময় ঠিক করার আগে নিজের জায়গার সঠিক সময় দেখে নিন আমাদের শহরভিত্তিক পঞ্জিকায়।
দশেরা 2026: এক নজরে তারিখ ও মুহূর্ত
| বিষয় | তারিখ / সময় (ভারতীয় সময়, দিল্লি) |
|---|---|
| বিজয়া দশমী / দশেরা | মঙ্গলবার, 20 অক্টোবর 2026 |
| দশমী তিথি শুরু | আনুমানিক দুপুর 12:50, 20 অক্টোবর 2026 |
| দশমী তিথি শেষ | আনুমানিক দুপুর 2:11, 21 অক্টোবর 2026 |
| বিজয় মুহূর্ত | আনুমানিক দুপুর 1:59 থেকে 2:45 |
| অপরাহ্ণের পূজার সময় | দুপুরের প্রথম ভাগ থেকে মাঝামাঝি (শহরভেদে আলাদা) |
প্রথা অনুযায়ী বিজয়া দশমীর আচার করা হয় অপরাহ্ণে (দুপুরের পরের ভাগে), যতক্ষণ দশমী তিথি চলছে। তার মধ্যে বিজয় মুহূর্তকে এতটাই নিশ্চিতভাবে শুভ ধরা হয় যে এই সময়ে শুরু করা কাজের জন্য আলাদা করে মুহূর্ত গোনার দরকার পড়ে না।
বিজয়া দশমীর তাৎপর্য
রাবণের ওপর শ্রীরামের জয়
উত্তর ভারত জুড়ে এই দিনটি পালিত হয় সেই দিন হিসেবে, যেদিন শ্রীরাম দশানন রাবণকে পরাজিত করে লঙ্কার বন্দিদশা থেকে সীতাকে মুক্ত করেন। যুদ্ধের আগে নয় রাত দেবী-আরাধনার কথা এসেছে দেবীভাগবত পুরাণের তৃতীয় স্কন্ধ থেকে, যেখানে নারদ শ্রীরামকে নবরাত্রি ব্রত শেখান, আর দশম দিনে বিজয়া পূজার পর শ্রীরাম লঙ্কার পথে রওনা হন; কৃত্তিবাসের বাংলা রামায়ণে শ্রীরামের শরৎকালের দুর্গাপূজার কথা বলা হয়েছে অকালবোধন নামে। উত্তর ভারত জুড়ে এই জয়ের স্মরণ করা হয় রাবণের বিশাল কুশপুতুল পুড়িয়ে, সঙ্গে থাকে তার ভাই কুম্ভকর্ণ আর ছেলে মেঘনাদের কুশপুতুলও। রাবণের দশটি মাথাকে প্রায়ই দশটি দোষ হিসেবে দেখা হয়: কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, দম্ভ, ঈর্ষা, স্বার্থপরতা, অন্যায়, নিষ্ঠুরতা আর অহংকার। এই আগুন আমাদের ভেতরের সেই দোষগুলিকে পুড়িয়ে ফেলার ডাক।
মহিষাসুরের ওপর মা দুর্গার জয়
দেবী-আরাধনার ধারায় বিজয়া দশমী মহিষাসুরের ওপর মা দুর্গার জয়ের দিন - ইচ্ছেমতো রূপ বদলাতে পারা সেই মহিষরূপী অসুর, যাকে কোনো দেবতাই হারাতে পারেননি। সেই যুদ্ধের কথা আছে মার্কণ্ডেয় পুরাণের অংশ দেবীমাহাত্ম্যে (চণ্ডী), যা নবরাত্রি জুড়ে পাঠ করা হয়; প্রথা অনুযায়ী জয়টি আসে নয় রাতের শেষে। নবরাত্রি আর দুর্গাপূজায় এই জয়েরই উদযাপন, আর এই কারণেই দিনটির নাম বিজয়া দশমী - বিজয় অর্থাৎ জয়ের দশমী, মানে দশম দিন।
দুটি কাহিনিরই এক আশ্বাস: অধর্ম যত শক্তিশালীই মনে হোক, জয় হয় ধর্মেরই। সেই কারণেই এই দিনটি বছরের সবচেয়ে শুভ দিনগুলির একটি - মারাঠি প্রথায় যাকে "সাড়ে তিন মুহূর্ত" বলে, সেই সাড়ে তিনটি দিনের একটি, যেদিন কোনো দ্বিধা ছাড়াই যে কোনো ভালো কাজ শুরু করা যায়।
শমী পূজা ও অপরাজিতা পূজা
বহু বাড়িতে, বিশেষ করে মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক আর দাক্ষিণাত্যে, কম জাঁকজমকের আরও দুটি আচার এই দিনের কেন্দ্রে থাকে।
শমী পূজা
শমী গাছের (Prosopis cineraria, কন্নড়ে 'বন্নি', তেলুগুতে 'জম্মি') পূজা হয় দুপুরের পরে। মহাভারতে (বিরাট পর্ব) আছে, অজ্ঞাতবাসের বছরে পাণ্ডবরা তাঁদের অস্ত্র শমী গাছে লুকিয়ে রেখেছিলেন; প্রথা অনুযায়ী বিজয়া দশমীতে তাঁরা সেগুলি ফিরিয়ে নেন। পরিবারগুলি শমী গাছের কাছে গিয়ে হলুদ, কুমকুম, অক্ষত (আতপ চাল) আর প্রদীপ নিবেদন করে, আর সেই গাছের পাতা "সোনা" হিসেবে বিনিময় করে (যাকে বলে 'সোনা' বা 'বঙ্গারু'), একে অপরকে সমৃদ্ধি আর জয়ের শুভেচ্ছা জানিয়ে।
অপরাজিতা পূজা
অপরাজিতা মানে "যাঁকে কেউ জয় করতে পারেনি" - দেবীর এক রূপ, বিজয়া দশমীতে জয় আর সুরক্ষার জন্য যাঁর পূজা হয়। পূজা হয় অপরাহ্ণে, প্রথা অনুযায়ী বাড়ির উত্তর-পূর্ব দিকে (ঈশান কোণে) কোনো খোলা জায়গায়, নীল ফুলের অপরাজিতা গাছ বা দেবীর ছবি সামনে রেখে, আসছে বছরের সব কাজে সাফল্যের প্রার্থনা জানিয়ে।
আয়ুধ পূজা ও নতুন শুরু
দক্ষিণ ভারতে বিজয়া দশমীর আগের দিন এবং বিজয়া দশমীতে বাড়ি ও কর্মস্থলে আয়ুধ পূজা হয় - জীবিকার যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের পূজা। গাড়ি ধুয়ে মালা পরানো হয়, মেশিন আর হিসেবের খাতায় কুমকুম-চন্দন দেওয়া হয়, সংগীতশিল্পীরা তাঁদের বাদ্যযন্ত্রের পূজা করেন, আর ছাত্রছাত্রীরা বই রাখে দেবী সরস্বতীর সামনে। ভাবনাটা সহজ: যে সরঞ্জাম দিয়ে আমরা রোজগার করি, তার প্রতি কৃতজ্ঞতা তার প্রাপ্য।
নতুন শুরুর জন্যও বিজয়া দশমী চিরকালের পছন্দের দিন:
- বিদ্যারম্ভ: ছোটদের হাতেখড়ি হয় - চালের ওপর বা স্লেটে প্রথম অক্ষর লেখা - প্রায়ই সরস্বতী পূজার পরে।
- নতুন উদ্যোগ: দোকান আর ব্যবসা খোলা হয়, চুক্তি সই হয়, নতুন প্রকল্প শুরু হয় - সবচেয়ে ভালো বিজয় মুহূর্তে (20 অক্টোবর 2026 আনুমানিক দুপুর 1:59 থেকে 2:45, ভারতীয় সময়)।
- কেনাকাটা: প্রথা অনুযায়ী এদিন গাড়ি, সরঞ্জাম, সোনা বা সম্পত্তি কিনতে আলাদা মুহূর্ত লাগে না।
- শস্ত্র পূজা: বহু সম্প্রদায়ে যন্ত্র ও অস্ত্রের আনুষ্ঠানিক পূজা হয় - রাজদরবার থেকে চলে আসা একটি প্রথা।
এই বিজয়া দশমীতে অফিস বা কারখানায় আয়ুধ পূজা, সন্তানের বিদ্যারম্ভের জন্য সরস্বতী পূজা, বা নতুন উদ্যোগের সূচনায় হোম করানোর কথা ভাবলে Purohit.app-এ যাচাই করা পুরোহিতের জন্য অনুরোধ পাঠাতে পারেন, আর বাড়ি বা কর্মস্থলে যথাযথভাবে বিধি সম্পন্ন করাতে পারেন; আমরা আছি বেঙ্গালুরু, মুম্বই, হায়দরাবাদ, চেন্নাই, কলকাতা, দিল্লি আর পুনেতে। বিজয়া দশমী বছরের সবচেয়ে ব্যস্ত পূজার দিনগুলির একটি, তাই আগেভাগে বুক করুন।
আরও আগের পরিকল্পনা: অনেক পরিবার বিজয়া দশমীতেই আসন্ন মরসুমের বিয়ে আর গৃহপ্রবেশের দিন ঠিক করে; দেখুন আমাদের বিয়ের মুহূর্তের তারিখ 2026-27 আর গৃহপ্রবেশ মুহূর্ত 2026-এর গাইড।
ভারত জুড়ে দশেরা কীভাবে পালিত হয়
- উত্তর ভারত: নবরাত্রি জুড়ে চলা রামলীলা শেষ হয় দশেরার সূর্যাস্তে রাবণ দহনে, অর্থাৎ বিশাল কুশপুতুল পোড়ানোয়। দিল্লির রামলীলা ময়দান আর বারাণসীর রামলীলা বিখ্যাত।
- বাংলা ও পূর্ব ভারত: বিজয়া দশমী দুর্গাপূজার আবেগভরা বিদায়ের দিন, বাংলায় যা পালিত হবে বুধবার, 21 অক্টোবর 2026 - সর্বভারতীয় দশেরার (20 অক্টোবর) এক দিন পরে: বিবাহিত মহিলারা সিঁদুর খেলায় একে অপরকে সিঁদুর মাখিয়ে দেন, তারপর "আসছে বছর আবার হবে" ধ্বনির মধ্যে দেবীর প্রতিমা বিসর্জন - মা আবার আসবেন পরের বছর।
- মাইসুরু: রাজকীয় মাইসুরু দসরা শেষ হয় জাম্বু সাওয়ারিতে - এক বিরাট শোভাযাত্রা, যেখানে সুসজ্জিত হাতির পিঠে চড়ে দেবী চামুণ্ডেশ্বরী আলোয় সাজানো শহর পরিক্রমা করেন।
- কুল্লু: কুল্লু দশেরা শুরু হয় বিজয়া দশমীতে আর চলে এক সপ্তাহ; শত শত গ্রামদেবতা ঢালপুর ময়দানে জড়ো হন শ্রীরঘুনাথকে শ্রদ্ধা জানাতে।
- মহারাষ্ট্র ও দাক্ষিণাত্য: শমী ও অপরাজিতা পূজা, আপটা আর শমী পাতা সোনা হিসেবে বিনিময়, সরস্বতী পূজা, আর সীমোল্লঙ্ঘন - গ্রামের সীমানা প্রতীকীভাবে পার হওয়া, যা একসময় নতুন অভিযান আর যাত্রার সূচনা বোঝাত।
- তেলেঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশ: তেলেঙ্গানায় দসরা আসে বাথুকাম্মার নয় দিনের পরে, যা শেষ হয় দুর্গাষ্টমীতে সদ্দুলা বাথুকাম্মা দিয়ে, আর বিজয়া দশমীতে পালপিট্টা (নীলকণ্ঠ পাখি) দেখা শুভ লক্ষণ বলে ধরা হয়। দুই রাজ্যেই পরিবারগুলি জম্মি (শমী) গাছের পূজা করে।
- কেরল: দুর্গাষ্টমীতে বই আর যন্ত্রপাতি দেবীর সামনে রাখা হয় (পূজা বৈপ্পু), আর বিজয়া দশমীতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়, যেদিন বিদ্যারম্ভমে শিশুদের হাতেখড়ি হয়: একজন বয়োজ্যেষ্ঠ সোনার আংটি দিয়ে শিশুর জিভে লেখেন, আর থালা ভর্তি চালের ওপর প্রথম অক্ষরগুলি লিখতে তার হাত ধরে দেখিয়ে দেন।
- দক্ষিণ ভারত: আয়ুধ পূজা, সরস্বতী পূজা আর বিদ্যারম্ভ; তামিল বাড়িতে গোলু পুতুলগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে সে বছরের মতো তুলে রাখা হয়।
বাড়িতে সহজভাবে বিজয়া দশমী পালন
- সকালে পূজার জায়গা পরিষ্কার করুন; নবরাত্রির পালন শেষ করুন, আর ঘটস্থাপন করে থাকলে নিজের প্রথা মেনে ঘট বিসর্জন দিন।
- অপরাহ্ণে, সম্ভব হলে বিজয় মুহূর্তের মধ্যে, ফুল, হলুদ-কুমকুম আর প্রদীপ দিয়ে অপরাজিতা বা দেবী পূজা করুন।
- শমী বা আপটা পাতা নিবেদন করুন, আর জয় ও সমৃদ্ধির শুভেচ্ছা জানিয়ে পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিনিময় করুন।
- কাজের সরঞ্জাম আর ছেলেমেয়েদের বইয়ে চন্দন, কুমকুম আর ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
- ভালো কিছু শুরু করুন: হিসেবের নতুন খাতা, নতুন পাঠ, নতুন উদ্যোগ, কিংবা নিজের ভেতরের একটি "রাবণ" ত্যাগ করার সংকল্প।
- সন্ধ্যায় নিজের শহরে রাবণ দহন বা বিসর্জনে যোগ দিন, আর পরিবারের সবার সঙ্গে মিষ্টিমুখ করুন।
বিজয়া দশমীর সঙ্গে সঙ্গে উৎসবের মরসুম গতি পায়: এ বছর নভেম্বরে আসছে ধনতেরাস আর দীপাবলি 2026।
প্রশ্ন ও উত্তর
2026-এ দশেরা কবে?
দশেরা (বিজয়া দশমী) 2026 পড়ছে মঙ্গলবার, 20 অক্টোবর 2026 - 19 অক্টোবর 2026 মহানবমীতে শারদীয় নবরাত্রি শেষ হওয়ার পরের দিন (বাংলার দুর্গাপূজার পঞ্জিকায় মহানবমী 20 অক্টোবর আর বিজয়া দশমী 21 অক্টোবর)।
দশেরা 2026-এ বিজয় মুহূর্ত কখন?
20 অক্টোবর 2026-এ দিল্লিতে বিজয় মুহূর্ত মোটামুটি দুপুর 1:59 থেকে 2:45 (ভারতীয় সময়)। শহরভেদে সময়টা কয়েক মিনিট সরে যায়, তাই সঠিক সময়ের জন্য নিজের এলাকার পঞ্জিকা দেখে নিন।
বিজয়া দশমী 2026-এ দশমী তিথির সময় কী?
দশমী তিথি শুরু হচ্ছে 20 অক্টোবর 2026 দুপুর মোটামুটি 12:50-এ, শেষ হচ্ছে 21 অক্টোবর 2026 দুপুর মোটামুটি 2:11-এ। 20 অক্টোবরের অপরাহ্ণে (দুপুরের পরের ভাগে) তিথিটি থাকায় সেদিনই বিজয়া দশমী পালিত হয়।
দশেরা কেন পালন করা হয়?
দশেরা অশুভের ওপর শুভের জয়ের উৎসব, যা স্মরণ করা হয় দুটি কাহিনির মধ্য দিয়ে: শ্রীরামের হাতে রাবণের পরাজয়, আর মা দুর্গার হাতে মহিষাসুর বধ, প্রথা অনুযায়ী যা ঘটে নবরাত্রির নয় রাতের শেষে।
নতুন ব্যবসা বা উদ্যোগ শুরু করতে দশেরা কি ভালো দিন?
হ্যাঁ। বিজয়া দশমীকে বছরের সবচেয়ে শুভ দিনগুলির একটি ধরা হয়, আর প্রথাগত বিশ্বাস হল বিজয় মুহূর্তে শুরু করা কাজ আলাদা মুহূর্ত গণনা ছাড়াই সফল হয়। বিদ্যারম্ভ, নতুন উদ্যোগ, কেনাকাটা আর গুরুত্বপূর্ণ সব শুরুর জন্যই দিনটি প্রশস্ত।
দশেরায় শমী পূজা কী?
শমী পূজা হল দুপুরের পরে শমী গাছের পূজা; প্রথা অনুযায়ী এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে পাণ্ডবদের সেই গাছে লুকিয়ে রাখা অস্ত্র ফিরিয়ে নেওয়ার কাহিনি। ভক্তরা হলুদ, কুমকুম আর প্রদীপ নিবেদন করেন, আর প্রতীকী সোনা হিসেবে শমী বা আপটা পাতা বিনিময় করে একে অপরকে সমৃদ্ধির শুভেচ্ছা জানান।
আয়ুধ পূজা কী, আর 2026-এ কবে?
আয়ুধ পূজা হল জীবিকার পবিত্র উপকরণ হিসেবে যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম, গাড়ি আর বইয়ের পূজা। দক্ষিণ ভারতে এটি হয় মহানবমীতে (19 অক্টোবর 2026) বা বিজয়া দশমীতে (20 অক্টোবর 2026); কর্মস্থলে সরঞ্জামের পূজা হয়, আর ছাত্রছাত্রীরা বইয়ের পূজা করে।
2026-এ দশেরা এত দেরিতে কেন?
2026 অধিক মাসের বছর: বছরের আগের দিকে একটি বাড়তি চান্দ্র মাস পড়ায় ইংরেজি ক্যালেন্ডারের তুলনায় চান্দ্র পঞ্জিকা পিছিয়ে গেছে। ফলে 2026-এ নবরাত্রি, দশেরা আর দীপাবলি সবই স্বাভাবিকের চেয়ে দেরিতে পড়ছে।
আমরা কীভাবে যাচাই করি: আমাদের লেখার তারিখ ও মুহূর্ত প্রকাশের আগে পঞ্জিকার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়, আর ব্যবহারিক খুঁটিনাটি - সামগ্রী, সময়, দক্ষিণা - Purohit.app-এর আসল বুকিং থেকে নেওয়া। রীতি সম্প্রদায়ভেদে আলাদা হয়; আপনার পুরোহিতের পরামর্শই শেষ কথা। এই পাতাটি আমাদের ইংরেজি লেখার অনুবাদ। কোথাও কিছু আলাদা মনে হলে ইংরেজি পাতাটিকেই মান্য ধরুন।